প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান অবশেষে একটি শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। অন্যদিকে, লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে’ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান প্রথমে এই ঘোষণা দেয়। এরপর ওয়াশিংটন এবং তেহরানও বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
রোববার নিজের ৮০তম জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘আমি হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের টোল বা অতিরিক্ত ফি ছাড়াই জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’
ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বের সব জাহাজ আবার চলাচল শুরু করুক। তেলের প্রবাহ স্বাভাবিক হোক।’ এর কিছুক্ষণ পরে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ‘তাৎক্ষণিক অবসান’ ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত সমাঝোতায় পৌঁছাতে দুই মাসের মধ্যে উভয় পক্ষ নতুন করে আলোচনা শুরু করবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে বৈরুতের উপকণ্ঠে ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহর ওপর ইসরাইলের হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তেহরান। এতে চলমান সমঝোতা প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ঘোষণা দেন, ‘উভয় পক্ষ লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য তিনি কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্কের নেতাদের ধন্যবাদ জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন