প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বাণিজ্যবিষয়ক প্রধান আলোচক হে লাইফেং। তার এই সফরের উদ্দেশ্য হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের আসন্ন বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা।
শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
সংবাদটি এসেছে বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে।
বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির প্রেসিডেন্টরা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে বৈঠকে মিলিত হবেন। এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর কৌশলগত বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের চলমান উত্তেজনা কমানো।
প্রায় এক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে একটি সাময়িক সমঝোতা বজায় থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এখনও দুই দেশ সক্ষম হয়নি।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া, দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, হে লাইফেং ১৯ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর একটি চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন। সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে থাকা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনাগুলি দুই দেশের নেতাদের মধ্যে আগে হওয়া ‘গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যের’ ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট চলতি সপ্তাহে জানিয়েছেন, তিনি সপ্তাহান্তে হে লাইফেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনায় ইরান ইস্যুও উঠে আসতে পারে। চীনের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে মতবিরোধের একটি কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে ট্রাম্প ও শির বৈঠকে বাণিজ্যসংক্রান্ত বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর তার শুল্কনীতিকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র বাণিজ্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি একটি নাজুক বা ভঙ্গুর সমঝোতায় পৌঁছায়।
ওই সমঝোতার ফলে দুই দেশের মধ্যে আরও বড় ধরনের বাণিজ্য সংঘাতের আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন