প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানী ঢাকায় ভিসা জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকৃত পাসপোর্টধারীর পরিবর্তে অন্য নারীকে ইতালিতে পাঠানোর চেষ্টা এবং মানবপাচারের অভিযোগে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। চক্রটির বিরুদ্ধে ইতালিতে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, গত সোমবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির মানবপাচার শাখার (টিএইচবি) একটি দল রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বেলায়েত হোসেন (৪০), মেহেদী হাসান (৩৭), সোলাইমান সুমন (৩২), ফজলে রাব্বী (২৭), তৌহিদুর রহমান (২৪), কাওসার হোসেন (৪২) এবং আরও একজন, যার পরিচয় মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অভিযানে যারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের অফিস থেকে তিনটি সিপিইউ, একটি এইচপি ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ৫৬টি পাসপোর্ট, সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবহৃত ১৫৩টি সিল, একটি লোহার এম্বোস সিল এবং নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী এক নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। স্বামী ও চার সন্তানকে নিয়ে ইতালিতে যাওয়ার আশায় সেই নারী ইতালির দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পাসপোর্ট জমা দেন। পরে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে দূতাবাস থেকে নবায়নের জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে অভিযুক্ত নাজমুল হাসানের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। নাজমুল নিজেকে দ্রুত পাসপোর্ট নবায়ন এবং ইতালির ভিসা করিয়ে দিতে সক্ষম বলে পরিচয় দেন। পরে তিনি ওই নারীকে গুলশান-১ এলাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে নিয়ে যান এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে পরিচয় করান।
সিআইডি জানিয়েছে, চক্রটি ভিসা জালিয়াতি, প্রতারণা এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন