প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মালতি পাড়ার গন্ধ পর দুলাল মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে হুগড়া ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুর রউফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা, শাকিল, শাহিন মিয়া, মারুফ মিয়া, বিএনপি নেতা বাকি, ফরিদুল, সমাজসেবক এনায়েত করিম , গোলাপ মিয়া, হাসেন আলী , রাশেদুল সহ দুই শতাধিক লোকজন
অংশ নেন।
বিএনপি নেতা ফরিদুল ও বাকি বলেন, মামলাটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
পারিবারিক জমি জমা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মামলা করেন নার্গিস আক্তার।
নার্গিস আক্তারের স্বামীর নাম
আব্দুর রাজ্জাক। হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলাটি
আব্দুর রাজ্জাকের ছোট ভাই
শাহিন মিয়া, শাহীনের স্ত্রী ফরিদা বেগম, তার ভাতিজির জামাই শাকিল, তার চাচাতো ভাই রাশেদুল ও স্থানীয় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খোকনদের নাম সন্দেহভাজন হিসেবে
জড়ানো হয়। এই মামলার
নিঃশর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী।
রাজ্জাক ও শাহিনের ভাতিজা মারুফ মিয়া জানান, মামলাটি মিথ্যা।হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এদের নাম জড়ানো হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাক ও শাহীন মিয়া দুজনেই আমার চাচা।
চুরির ঘটনা সাথে শাহিন, শাকিল, রাশেদুল, ফরিদা ও খোকন মিয়া জড়িত নয়।
এনায়েত করিম ও হাসেন আলী জানান,
আমাদের মামলার সাক্ষী বানানো হলেও এ বিষয়ে
আমরা জানিনা। ঘটনা তিনদিন পর তাদের বাড়িতে
আমাদের ডেকে নিয়েছিল আমরা তার বাড়িতে গিয়ে
জিনিসপত্র উলটপালট ও
ঘরের টিনের এক পাশ খোলা।
কিন্তু এই মামলার সাথে যাদের নাম জানানো হয়েছে এরা কেউই জড়িত নয়। পারিবারিক বিরোধের জেরে এটি করা হয়েছে।
মার্কেটের ব্যবসায়ী ডাক্তার গোলাম মোস্তফা জানান, যাদের নামে এই মিথ্যা মামলা দিয়েছে মামলা দিয়েছে তাদেরকে পূর্ব থেকেই আমি চিনি। ২৫ বছর যাবৎ আমি এখানে ব্যবসা করছি। মার্কেটের মালিক শাহিন মিয়া,
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাকিল মিয়া,
রাশেদুল, খোকন ও ফরিদা বেগম তারা ভালো মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
জমি সংক্রান্ত পূর্ব সপ্ততার জন্য এই মিথ্যা মামলার তদন্ত পূর্ব প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে বাদী নার্গিস আক্তার জানান, আমার বাড়িতে টিভি ফ্রিজ, কাগজপত্র সহ বিভিন্ন জিনিস হারানো গিয়েছে।
এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
নির্দোষ ব্যক্তির জন্য হয়রানি না হয়।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, আমি জনগণের সেবক। ভালো-মন্দ সকলেই আমাকে ডাকে। মামলাটি জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে। আমি চাই দোষী ব্যক্তি আইনের আওতায় আসুক। একই সঙ্গে নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানি না হয়।
সঠিক তদন্তের মাধ্যমে
পারিবারিক ভাবে বসে
সমাধান করলে ভাল হয়।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিজান জানান,
গত বারই আগস্ট চুরি হয়েছে
এর এই মর্মে ১৫ সেপ্টেম্বর
থানায় মামলাটি এজাহার ভুক্ত হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন