প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি।
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের আইসিইউতে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। তার বয়স ছিল ৫২ বছর।
গত সোমবার থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন রথো রাফি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তার ছোট ভাই মো. এহতেশামুল হক গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
এহতেশাম জানান, তিন দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল তাকে।
রথো রাফির মরদেহ আগামীকাল শুক্রবার তার জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হবে। জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে দক্ষিন তারুয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার পাশে তাকে দাফন করা হবে, জানিয়েছেন তার ভাই এহতেশামুল হক।
রথো রাফি কবিতা ও অনুবাদে একটি নিজস্ব ভাষাভঙ্গি তৈরি করেছিলেন। তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থ ‘অক্ষর ও বালির পৃথিবী’। ৪৩২ পৃষ্ঠার এই বইয়ে স্থান পেয়েছে দুই শতাধিক কবিতা। ১৯৯৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই দশকে লেখা কবিতাগুলোর সংকলন এটি। তার কবিতায় মানুষের জন্ম-মৃত্যুর দর্শন থেকে শুরু করে কৃষ্ণের বাঁশি ও যিশুর ক্রুশযাত্রার মতো বিভিন্ন অনুষঙ্গ উঠে এসেছে। এছাড়া বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন কবির অনূদিত কবিতা রয়েছে তার সংগ্রহে।
১৯৭৫ সালের ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন রথো রাফি। তার মা-বাবা আগেই মারা গেছেন। তার বাবা আবুল কাশেম আশুগঞ্জ হাজি আব্দুল জলিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন এবং মা জাহানারা বেগম সরকারি চাকরি করতেন। বর্তমানে তার দুই ভাই রয়েছে। পেশা ও কবিতার জগতে রথো রাফি হিসেবে পরিচিত হলেও তার মূল নাম মো. মোজাম্মেল হক। তিনি অবিবাহিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন