প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মিরপুরের একটি বাসা থেকে ৭৫ বছর বয়সী নূরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিচে নন, এমন একজন বিচারিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এক আইনজীবী আবেদনকারী হিসেবে বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা অনুযায়ী, নূরজাহান বেগমের মৌলিক অধিকার কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশনার আবেদনও এই রিটে করা হয়েছে। বিশেষ করে, এই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
মিরপুরের একটি বাসা থেকে পুলিশ গত ৩১ মে নূরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি ছিলেন একজন সন্তানের মাতা, যার মধ্যে একজন যুগ্ম সচিব, অন্যজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং একজন মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
নূরজাহান বেগম তার মেয়ের সঙ্গে যে বাসায় বসবাস করতেন, সেই বাসার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, নূরজাহান বেগমের ঘরসহ পুরো ফ্ল্যাটের অবস্থা অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর ছিল।
এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ সরকার রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর আইনজীবী এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আগামী সপ্তাহে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।
রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ হিসেবে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ ও শারীরিকভাবে অক্ষম নাগরিকদের জন্য পরিচর্যাকারী (কেয়ারগিভার) বা নার্স নিয়োগ ও সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববাহিত ঘোষণা করা হবে না, সেই বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন