প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এক সপ্তাহের মধ্যে আকামা (বাসস্থান), সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৫ হাজার ২৩১ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার ২৭ জুন তারিখে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৪ জুনের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার কৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ হাজার ৫৮৯ জন বাসস্থান আইন লঙ্ঘনকারী, ৪ হাজার ৪৪৩ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী এবং ৩ হাজার ১৯৯ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী রয়েছেন। ইতোমধ্যেই আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১১ হাজার ২৯৭ জন অবৈধ বাসিন্দাকে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া ১৫ হাজার ১০৯ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে তাদের নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে ভ্রমণের নথিপত্র (আউটপাস) সংগ্রহের জন্য ভেজা হয়েছে এবং ৩ হাজার ৬১৮ জনকে ভ্রমণের টিকিট বুকিং সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১ হাজার ৭৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ ইয়েমেনি, ৫৫ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
অন্যদিকে, অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ৫৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় ও কর্মসংবাদের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বর্তমানে ২৪ হাজার ৩৩৪ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৭৩ জন নারীসহ মোট ২৬ হাজার ৪০৭ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে কাউকে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে সহায়তা করে, যাতায়াতের ব্যবস্থা করে কিংবা আশ্রয়সহ অন্য কোনো সহায়তা বা পরিষেবা প্রদান করে তবে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও আশ্রয় দেওয়া বাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হবে।
সূত্র: গালফ নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন