প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরের সালথায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা দফায় দফায় সংঘটিত হয়েছে। এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, খবর পেয়ে তারা সেখানে পৌঁছায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে গুরুতর ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে উভয়পক্ষের অন্তত আটটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বড় বাংরাইল গ্রামের মনির বিশ্বাস ও মিশরু বিশ্বাসের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার বিকেলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজন পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে সংঘর্ষের সুযোগে উভয়পক্ষের লোকজন পরস্পরের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনির বিশ্বাস ও মিশরু বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান কালের কণ্ঠকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন