প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রামিসা হত্যা মামলায় ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খান দুটি ভিন্ন বক্তব্য প্রদান করেছেন। আসামি সোহেল রানা অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু তার স্ত্রী স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।
বুধবার (৩ জুন) আলোচিত শিশু রামিসা হত্যার মামলার শুনানির জন্য আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন নির্ধারিত ছিল। সকালে সোহেল এবং স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির করা হয়, যেখানে তাদেরকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। বেলা পৌনে ১১টার দিকে সোহেলকে, এবং বেলা ১১টার দিকে স্বপ্নাকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উপস্থিত হলে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলার সমস্ত অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি দুই আসামির সামনে পড়ে শোনানো হয় বিচারকের দ্বারা। এরপর আসামিদের বক্তব্য শুনতে চান বিচারক। এই সময় কাঠগড়ায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকলেও, তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন।
শুনানির সূচনায় দায় এড়াতে চেষ্টা করেন সোহেল রানা। তিনি ঘটনার দায় চাপান ডলার নামের আরেক ব্যক্তির ওপরে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সোহেল বলেন, ‘আমি নির্দোষ স্যার। আমার সাথে যে ছিল ডলার, তারে আপনারা ধরেন। আমি দোষ করি নাই তা না, আমিও দোষ করেছি, ডলারও দোষ করেছে।... আমারে মাফ করে দেন, আমার একটা ছোটো ছাওয়াল আছে।’
স্ত্রী স্বপ্নার সম্পর্কে সোহেল এ সময় বলেন, ‘আমার বউটা একদম নির্দোষ স্যার।’ পরে আদালত স্বপ্নার কোনো বক্তব্য থাকলে তা বলার অনুরোধ করেন। স্বপ্না আদালতকে জানান, ‘আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।’
তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মতে, আসামিদের এ ধরনের বক্তব্য বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত ও বিলম্বিত করার একটি অপকৌশল বলে মনে করেন।
আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আগামীকাল বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন