প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার বছরের সম্পর্কের পর বিয়ের পরিকল্পনা আসছিল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে বারবার আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। তবুও, ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্দেশ্যে ২৩ বছর বয়সী তরুণী রক্ষিতা সারিকারকে নিয়ে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের গোকাক জলপ্রপাতে ঘুরতে যান প্রেমিক। সেখানে বিয়ের বিষয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দেয়। এই বিরোধের জেরে ২৯ বছর বয়সী বাসাপ্পা সাতান্নাভার রক্ষিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। পরে অভিযুক্ত তার মরদেহ জলপ্রপাতের কাছের একটি পাহাড়ি ঢালে ফেলে পালিয়ে যান।
অভিযুক্ত বাসাপ্পা সাতান্নাভার ভারতের সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) বিহারে অবস্থিত ২১তম ব্যাটালিয়নের একজন কনস্টেবল। তার বাড়ি কর্ণাটকের বেলগাভি জেলায়।
পুলিশের সূত্রে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রক্ষিতা ও বাসাপ্পার মধ্যে চার বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাসাপ্পা তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তবে বিয়ের বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিত।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ অক্টোবর বাসাপ্পা রক্ষিতাকে গোকাক জলপ্রপাতে নিয়ে যান বিয়ে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করার কথা বলে। সেখানে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাসাপ্পা রক্ষিতাকে মারধর করেন, কানে আঘাত করেন এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
রক্ষিতা বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবার সদস্যরা খোঁজ শুরু করেন। পরে ১ নভেম্বর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং হত্যাকাণ্ডের তথ্য উদ্ঘাটন করে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের পর রক্ষিতাকে হত্যার অভিযোগে বাসাপ্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন