প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সকালের নাশতায় টোস্টের সঙ্গে গরম গরম ‘বেকড বিনস’ বা শিম সেদ্ধ অনেকের কাছে একটি প্রিয় খাবার। তবে যখন সেই খাবার রান্না করা হয় বিশাল একটি হাঁড়িতে এবং পরিমাণ হয় প্রায় ১৫ হাজার ক্যানের সমান, তখন এটি সত্যিই একটি বিস্ময়কর ঘটনা।
এমন একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটিয়ে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছে তুরস্কের কেলকিট শহর। সেখানে একটি দৈত্যাকার হাঁড়িতে একবারে রান্না করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বেকড বিনস বা শিম সেদ্ধ। এই আয়োজন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
স্থানীয় শিম দিয়েই রেকর্ড
রেকর্ড গড়ার এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট। কেলকিট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং গুমুশানে গর্ভর্নরশিপ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে বিশাল হাঁড়িতে রান্না করা হয় স্থানীয় বিশেষ পদ ‘কেলকিট শেকের ফাসুলিয়েসি’।
শিমের বীজ দিয়ে তৈরি এই খাবার কেলকিট অঞ্চলের একটি স্থানীয় পদ। এই শিমের আকৃতি সামান্য বেগুনি দাগযুক্ত এবং কিছুটা বাঁকানো, যা কেলকিট সমভূমিতে চাষ করা হয়।
ভাঙল পুরোনো রেকর্ড
নতুন এই রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া সহজ ছিল না। এর আগে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বেকড বিনস রান্নার রেকর্ড ছিল উত্তর মেসিডোনিয়ার দখলে। সেখানে সারসিয়েভো গ্রামের মানুষের জন্য প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ গ্যালন বেকড বিনস রান্না করা হয়েছিল।
কেলকিটে রান্না করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বিনস, যা পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
কৃষকদের সম্মান জানাতেই আয়োজন
স্থানীয় এ পণ্যের পরিচিতি ও অর্থনৈতিক মূল্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কৃষকদের সম্মান জানানোও ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশাল এই রান্নার মাধ্যমে আয়োজকরা কেলকিটের স্থানীয় কৃষিপণ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের আয়োজকরা জানান, এই স্বীকৃতি কেলকিট, গুমুশানে এবং পুরো অঞ্চলের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। এটি স্থানীয় কৃষি ঐতিহ্য, পণ্য এবং পুরো সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
একসঙ্গে কাজ করেছেন অনেকে
রেকর্ড গড়ার এই আয়োজনে কৃষক, রন্ধনকর্মী, প্রকৌশলী, খাদ্যনিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, পৃষ্ঠপোষক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবকরা অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকদের মতে, এত মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই অর্জনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। তারা মনে করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই রেকর্ড গর্বের একটি বিষয় হয়ে থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন