প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আসন্ন পৌর নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিএনপি নেতার ব্যানার অপসারণের পর দা দিয়ে কুপিয়ে কাটার একটি ঘটনা স্যোসাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। কারণ, ওই ব্যানারে বিএনপি নেতার ছবি ছাড়াও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবিও ছিল। ভিডিওটি দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং জেলা বিএনপি নেতারা পৌর প্রশাসককে এ ধরনের ঘটনার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিদ্বেষমূলক আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিকেলে বাংলাদেশ কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌর কার্যালয়ে গিয়ে প্রশাসক হাফিজুল ইসলামের কাছে প্রতিবাদ জানান।
পৌর প্রশাসক আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদের প্রত্যাশী শাহিন খান জনগণের দোয়া চেয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার লাগিয়েছেন। শহরের অন্যান্য ব্যক্তিরাও একইভাবে পোস্টার এবং ব্যানার স্থাপন করেছেন। শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ পিলারসহ বিভিন্ন স্থানে লাগানো ব্যানার অপসারণের অভিযান শুরু করেছে।
রবিবার অপসারিত ব্যানারের উপর এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীর দা দিয়ে কোপানোর ঘটনাটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ওই ব্যানারে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবিও ছিল।
বিএনপি নেতা শাহিন খান মন্তব্য করেন, "নোটিশ ও মাইকিং করলেই আমরা ব্যানার নামানোর ব্যবস্থা করতাম। কিন্তু এভাবে ব্যানার অপসারণের পর ব্যানারের উপর দা দিয়ে কোপানোর ঘটনা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের সামিল।" তিনি আরও জানান, ঘটনাটি স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক হাফিজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, যত্রতত্র পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণের বিষয়টি বিধি অনুযায়ী চলমান কার্যক্রম। তবে অপসারিত ব্যানারে দা দিয়ে কাটার ঘটনায় মাস্টার রোলে কর্মরত সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নেতা শাহিন খানের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন