প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলা থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী দর্শন ও সাহিত্যকর্মকে তৃণমূল থেকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ র শুভ সূচনা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগান্তকারী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ থেকে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বিদ্রোহী কবিই নন; তিনি সাম্য, তারুণ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক। ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবির প্রথম আগমনের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থানটিকে পূর্ণাঙ্গ ‘নজরুল সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্যকর্মকে কেবল বদ্ধ ঘরে সীমাবদ্ধ না রেখে ডিজিটাল আর্কাইভের মাধ্যমে তা আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জিলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সুধীসমাজ সরাসরি অনুষ্ঠানটিতে সংযুক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান।
নেত্রকোণা থেকে যুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক।
এসময় উকিল মুন্সী, জালাল খাঁ ও বারী সিদ্দিকীর মতো অসংখ্য গুণী শিল্পীর স্মৃতিবিজড়িত এই জেলায় লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘কালচারাল একাডেমি’ স্থাপনের জোর দাবি জানান তিনি।
বক্তব্যে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বাসস’কে জানান, নেত্রকোণায় স্বতন্ত্র কালচারাল একাডেমি স্থাপনের প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিক রেজল্যুশন আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
নেত্রকোণায় আজ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—আজ সন্ধ্যায় নেত্রকোণা পাবলিক হলে বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৩ জুলাই (শুক্রবার) বিকেল ৩টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শিশু-কিশোরদের জন্য তিনটি ভিন্ন গ্রুপে রচনা, আবৃত্তি, নজরুল সঙ্গীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতা এবং ৪ জুলাই (শনিবার) বিকেল সাড়ে ৪টায় সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. নুরুজ্জামান, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও নেত্রকোণা পৌর প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম সরদার, পুলিশ সুপার মো.তারিকুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন