প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুলাই বিপ্লবে সারা দেশে গণহত্যার ঘটনা ঘটে যখন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এই ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলকের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হচ্ছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পলক নিজের পক্ষ থেকে একজন সাক্ষীকে জেরা করার আবেদন করেন।
বৃহস্পতিবার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ঘটে। এদিন সপ্তম সাক্ষী হিসেবে কবির হোসেন মৃধার জবানবন্দির জেরার দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ আরও কিছুদিন সময় চাইলে ট্রাইব্যুনালকে জানান যে, আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর মৃত্যুর পর মুনসুরুল হক চৌধুরীকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত কারণে তিনি আসতে পারেননি। তাই সময় চাওয়া হয়। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদনের প্রস্তাব মঞ্জুর করেনি।
এইসময় পলককে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। কাঠগড়ায় উঠে তিনি সাক্ষীকে নিজে জেরা করার অনুমতিও চান। ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে পলক বলেন, মাননীয় আদালত, আমি জেরা করার অনুমতি চাই। পলকের আইনজীবী লিটনও জানিয়ে দেন যে, তার মক্কেল ১৫ মিনিট সময় জেরা করতে চান। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এতে আপত্তি জানানো হয়। প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান জানান, আইনে এই সুযোগ নেই, কেননা শুধুমাত্র আসামির আইনজীবীই জেরা করতে পারেন। এরপর আইনজীবী লিটন বলেন, পলক নিজেও একজন আইনজীবী এবং তিনি আইন সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন। তারপরেও অনুমতি না পাওয়ায় কবির হোসেনকে জেরা শুরু করেন লিটন আহমেদ।
জেরায় আইনজীবী লিটন সাক্ষীকে প্রশ্ন করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরে আপনি বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন কি না? সাক্ষী কবির জবাবে বলেন, না, আমি অংশ নেইনি। ওইদিন রাতে হাসপাতালে পৌঁছে আমার ছেলে সহ আটজনের মৃতদেহ দেখতে পাই। এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে একটি কাগজ দিয়েছিল।
আইনজীবী লিটন তৎকালীন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেন, বিজয় মিছিলে আনন্দ প্রকাশের কারণে গোলাগুলি ঘটেছিল, ওই গুলিতেই আপনার ছেলে মারা গেছেন কি না? সাক্ষী প্রথমে হ্যাঁ জবাব দেন। তবে প্রসিকিউশন থেকে পুনরায় জিজ্ঞাসার নির্দেশ দেওয়া হয়। কাঠগড়ায় বসে আপত্তি জানিয়ে পলক বলেন, প্রসিকিউশন যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে এটি কিভাবে সম্ভব? সাক্ষী তখন বলেন, ৫ আগস্ট আমার ছেলে পুলিশ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের গুলিতে আহত হয়ে মারা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন