প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মতলব দক্ষিনের নারায়নপুর ম্যাক্স ভিআইপি (প্রাঃ) লিঃ হাসপাতালের ম্যানেজার ভূয়া ডাক্তার আসলাম মিয়াজী ও প্রতিষ্ঠানের বিরোদ্ধে কঠোর অবস্থানে মতলব দক্ষিন উপজেলা স্ব্যাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম রায়হান । ওনার এই সাহসী উদ্যেগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মতলবের সচেতন সমাজ ।
ডাঃ গোলাম রায়হান বলেন মতলবের কোন হাসপাতালে ভূয়া ডাক্তার থাকতে পারবেনা। তথ্য প্রমান পাওয়া গেলে তাদের বিরোদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালের ম্যানেজার ডাক্তার না হওয়ায় আমি তার বিরোদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নিতে পারি না। তবে আমি প্রশাসনে নিকট তার বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ পাঠাবো। হাসপাতালের বিরোদ্ধে আমি শিগ্রিই ব্যবস্থা নেব।
উল্লেখ - এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ভাঙা হাতের চিকিৎসা নিতে ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালে আসলে হাসপাতালের ম্যানেজার সাবেক মেম্বার আসলাম মিয়াজী নামের এক (ভূয়া ডাক্তার) চিকিৎসক সেজে চিকিৎসা দেয় ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইসমাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রায়হানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন রোগীর স্বজন আবুল কালাম ।
এলাকাবাসীর দাবী প্রতিষ্ঠান দেওয়ার পর থেকেই এই হাসপাতাল ভূয়া ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা সেবা পরিচালিত হচ্ছে । তাদের ভুল চিকিৎসার কারণে বেশ কয়েকজন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন । কেউ অভিযোগ করলে গোপনে ওই অভিযোগকারীকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে নেয় । এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না । সুচিকিৎসা ও সঠিক সেবা পেতে তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন । তারা আরো বলেন প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যাব ।
অভিযোগ সুত্রে জানাযায় গত ১০ জুলাই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. ইয়াছিনের (১০) খেলতে গিয়ে ডান হাত ভেঙে যায়। স্বজনেরা তাকে নিয়ে যান নারায়ণপুর বাজারের অবস্থিত ‘ম্যাক্স ভিআইপি প্রা. লিমিটিড’ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে এলে হাসপাতালের ম্যানেজার আসলাম মিয়াজী নিজেই চিকিৎসক সেজে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় তার ভাঙা হাতের চিকিৎসা করেন এবং পরপর দুই দিন দই-বার ব্যান্ডেজ করানোর পরও প্রায় ১ মাসেও ওই শিক্ষার্থীর হাতের অবস্থার উন্নতি হয়নি। হাতের অসহ্য ব্যথায় কাতরাচ্ছে সে।
গত ৩ আগষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে বিষয়টির প্রতিকার ও তদন্ত চেয়ে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ করেন আহত শিক্ষার্থীর দাদা আবুল কালাম ।
গত ১৭ আগষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রায়হান উভয় পক্ষকে আসতে বলেন । ওই দিন হাসপাতালের ম্যানেজার ভূয়া ডাক্তার উপস্থিত হয় নি. .........
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন