প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিদেশি সংস্থাগুলি থেকে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করছে, এমন অভিযোগ করেছে মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাদের কাছ থেকে এবং কৌশলবিদ আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘তাদের (সিজেপি) যে অননুমোদিত উৎস থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে, অর্থাৎ ভারতবিরোধী এনজিও এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ভারতবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন থেকে, তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।’
বিজেপির মুখপাত্র তুহিন এ সিনহা অভিযোগ করেছেন যে, দিল্লিতে উৎসবের সময়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সিজেপি এবং কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন করছে, যা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
এদিকে, দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। পুলিশ নিষেধাজ্ঞা অমান্য, অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং অন্য দলের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ তদন্ত করছে।
গত ১০ অক্টোবর শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকা দিয়ে ৫০ হাজার রুপির বন্ডে মুক্তি পেয়েছেন সৌরভ ও আশুতোষ।
তবে বিরোধীরা বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বিজেপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারছেন না? তিনি গোয়েন্দা সংস্থা আইবি ও র-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন।
কংগ্রেস, বিজেপি এবং আরএসএসের অর্থায়ন নিয়ে প্রকাশ্যে বিতর্কের প্রস্তাবও দিয়েছেন খাড়গে। প্রয়োজনে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে সেই আলোচনায় মধ্যস্থতার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন