প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে ইরানকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন করে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের জ্বালানিমন্ত্রীরা জানিয়েছেন যে, ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত শুরু করবে আরামকো। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোম্পানিটির তেল সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাব এখনও বৈশ্বিক জ্বালানি এবং বাণিজ্যিক পরিবহন খাতে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে, হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর মাস ছিল হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ। এসব হামলা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ঝুঁকি আরো বাড়িয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরলও জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এক শিল্পবিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২৭ সালেও জ্বালানি বাজার যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে তিনি মনে করেন না।
এমন পরিস্থিতিতে, সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুতের উদ্যোগকে সৌদি আরামকোর আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা এবং জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিকল্প স্থানে তেল মজুত রাখা সরবরাহব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন