প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তাকে কার্যত ‘গৃহবন্দি’ করে রাখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাড়ির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা তাকে অনুসরণ করছে যখনই তিনি বাইরে বের হন।
ধ্রুব রাঠি অভিযোগ করেছেন যে, কোনো বিক্ষোভে যোগ দিতে গেলেই তাকে আটকের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সোমবার বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবাদে যোগ দিতে চাই। কিন্তু আমার বাড়ির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। আমি যেখানেই যাই, তাঁরা আমাকে অনুসরণ করেন। কোনো বিক্ষোভের কাছে গেলেই আমাকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’
ধ্রুব রাঠি আরও দাবি করেছেন, তিন-চারটি গাড়িতে করেও পুলিশ তাকে অনুসরণ করছে। তবে তিনি সম্ভাব্য ভিসা তদন্তের বিষয়টি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভারতীয় নাগরিক। আমার ক্ষেত্রে ভিসার কোনো প্রশ্নই নেই।’
এর আগে শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে পুলিশ ধ্রুব রাঠিকে তার বাড়ি থেকে আটক করেছিল। রোববার প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তিনি ওই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেছেন।
ভিডিওবার্তায় ধ্রুব রাঠি জানিয়েছেন, শনিবার সকাল ৭টার দিকে তার বাড়ির বাইরে ৫০ জনের বেশি লোক জড়ো হন। তার মা দরজা খুললে সাধারণ পোশাকে থাকা কয়েকজন তাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেন। এরপর তারা সরাসরি তার শোবার ঘরে চলে যান।
তিনি বলেন, তখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে ওঠার পর তাকে কথা বলা বা কিছু করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি জুতা পরার সময়টুকুও দেওয়া হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় তার মা চিৎকার করছিলেন।
ধ্রুব রাঠির অভিযোগ, তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার নিজের ও তার বাবা-মায়ের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে এক থানা থেকে অন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি ফোন ব্যবহার করতেও দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, তাকে বারবার বলা হচ্ছিল, এটি গ্রেফতার বা আটক নয়; তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু দীর্ঘ ২২ থেকে ২৩ ঘণ্টা আটকে রাখার পর তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ঘটনাকে অপহরণ ছাড়া আর কী বলা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন