প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনে রাশিয়ার উন্মোচিত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় পাঁচ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৬ জন নাগরিক। পাল্টা জবাবে কিয়েভও পুতিন বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে। সংঘাত যখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, তখন রুশ সেনাদের ইউরোপ প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য পরিকল্পনা করছে ইইউ।
রাশিয়া ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এর ফলে বেশ কিছু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, রাতভর চলা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আবাসিক ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলাকে জোরদার করার পর, মস্কোও ইউক্রেনের ভিন্ন ভিন্ন শহরে বিমান হামলা বৃদ্ধি করেছে।
একই সঙ্গে, যুদ্ধক্ষেত্রে রুশ সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে তাত্পর্যপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি ঘটছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। উপরন্তু, দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিদিন সম্মুখ লড়াইও চলছেই।
যুদ্ধকালীন এই পরিস্থিতির মধ্যে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে বাল্টিক এবং নর্ডিক দেশগুলোর নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনের ভবিষ্যতের জন্য যে কোনো শান্তি আলোচনায় ইউরোপকে সরাসরি অংশ নিতে হবে।
এদিকে, রাশিয়ার ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করতে ব্রাসেলসে ২১তম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে ইউরোপীয় কমিশন। কমিশনের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে যে রুশ সেনারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আক্রমণে যুক্ত হয়েছেন, তাদের স্থায়ীভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।
এর পাশাপাশি রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিট’, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং আরও নতুন ৩১টি রুশ ব্যাংকের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন