প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ব্রাজিল এবং নরওয়ে পরস্পরের বিপক্ষে মাঠে নামবে।
রাউন্ড অব সিক্সটিনের এই ম্যাচটি শুধু মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি একটি তীব্র তাপপ্রবাহের বিরুদ্ধে কঠিন পরীক্ষাও হতে যাচ্ছে।
মেটলাইফ স্টেডিয়াম এলাকার জন্য দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর সর্বোচ্চ স্তরের আবহাওয়া সতর্কতা (লেভেল ৪) ঘোষণা করেছে।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস, হিউস্টন বা আটলান্টার স্টেডিয়ামগুলোতে অত্যাধুনিক এয়ার কন্ডিশনিং এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলেও নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত অবস্থায় রয়েছে।
ফলে, বিকেল ৫টার কড়া রোদে এবং ৪৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফুটবলারদের মাঠে নামতে হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রার ওপর এই গরমে ফুটবল খেলার ফলে খেলোয়াড়দের হৃদযন্ত্রের ওপর অত্যাধিক চাপ পড়বে, পেশির সচলতা কমবে এবং মাঠে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একপ্রকার বিঘ্নিত হবে।
চলতি বিশ্বকাপে চরম আবহাওয়া বিষয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক জরিপ অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের অন্তত ৯টি ম্যাচ বহু বিপজ্জনক আবহাওয়ার মধ্যে খেলা হয়েছে।
ফুটবলারদের বৈশ্বিক ইউনিয়ন ‘ফিফপ্রো’ সাফ জানিয়েছে যে, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সৌর বিকিরণ বিবেচনা করে তৈরি হওয়া বিশেষ ‘ডব্লিউবিজিটি’ সূচক যদি ২৮ ডিগ্রি অতিক্রম করে, তাহলে সেই ম্যাচ অবিলম্বে স্থগিত বা বাতিল করা উচিত।
এই তীব্র দাবদাহ শুধুমাত্র ফুটবলারদের নয়, বরং স্টেডিয়ামে আসা হাজার হাজার দর্শকদেরও বিপদের মুখে ফেলেছে।
পার্কিং লট বা স্টেডিয়ামের দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে থাকা দর্শকদের ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা) এবং হিট স্ট্রোকের লক্ষ্যবস্তু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন