প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩ দিনের একটি যৌথ মিশনে অংশগ্রহণ করেছে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া। ২০২৬ সালের ‘কোয়াড-অ্যাট-সি শিপ অবজারভার মিশন’-এর আওতায় চার দেশের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রমে অংশ নেন।
অস্ট্রেলিয়ার বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তাদের সাথে অন্যান্য তিন দেশের প্রতিনিধিরা ভারতীয় কোস্টগার্ডের একটি জাহাজে যাত্রা করেন। এই জাহাজটি ২৫ সেপ্টেম্বর চেন্নাই থেকে যাত্রা শুরু করে এবং ৭ অক্টোবর পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিম্যান্টলে পৌঁছায়।
যাত্রাপথে চার দেশের কর্মকর্তারা একত্রে প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, সামুদ্রিক দূষণ মোকাবিলা, সামুদ্রিক আইন প্রয়োগ এবং জাহাজে উঠে তল্লাশি চালানোর অনুশীলন।
এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চার দেশের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা, পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নত করা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সামুদ্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
অস্ট্রেলিয়ার মেরিটাইম বর্ডার কমান্ডের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ব্রেট সন্টনার মন্তব্য করেন, "অস্ট্রেলিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ।"
তিনি আরও বলেন, এই মিশনের মাধ্যমে চার দেশের কর্মকর্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক আস্থা তৈরি এবং পেশাগত সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ পেয়েছেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সমুদ্রে বিভিন্ন ঘটনায় কার্যকরভাবে একত্রে কাজ করার সক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।
ভারতীয় কোস্টগার্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বর্ডার ফোর্সের মেরিটাইম বর্ডার কমান্ডের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দুই সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল।
কোয়াডের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে চার দেশ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপদ এবং স্থিতিশীল সামুদ্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে। এই মিশন সেই সহযোগিতাকে বাস্তব প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন