প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবারের দিকে আবার শুরু হবে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে, এই আলোচনার স্থান এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
আজ বুধবার (২৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, আলোচনার পরবর্তী দফা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার আলোচনার জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য দিন, যদিও সোমবার বা বুধবারেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসানে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এরপর গত ১৯ জুন চুক্তির ব্যাপারে সুইজারল্যান্ডে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা করার কথা ছিল, তবে লেবাননে ইসরাইলের অব্যাহত হামলার প্রতিবাদ হিসেবে তা পিছিয়ে দেয় ইরান।
এরপর হরমুজ প্রণালীও আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। এর মধ্যে গত রবিবার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডে বুর্গেনস্টকে ইরান ও মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ইরানের পক্ষ থেকে সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
অলংকার পরে আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও, সোমবার (২২ জুন) কারিগরি প্রতিনিধিদলগুলো আলোচনা চালিয়ে যায়।
মধ্যস্থতাকারী দুই দেশ পাকিস্তান ও কাতারের পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনা একটি ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি প্রক্রিয়াও প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
মধ্যস্থতাকারীরা আরও জানিয়েছেন যে, উভয় পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি কর্মীদল গঠন করা হয়েছে। এসব দলের কাজ হবে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তির খসড়া এবং বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে কাজ করা।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রথম দফার কারিগরি আলোচনার সমাপ্তি ঘোষণা করে জানান যে, আলোচকরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ‘পারমাণবিক বিষয়াবলী, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন এবং পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়ন- এই চারটি বিষয়ের জন্য কার্যকরী দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন