প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবে নিহত ১৬ জনের মরদেহ দেশের কাছে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃতদেহের পরিচয় সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এবং পরিবারের সম্মতি পাওয়া গেলে লাশ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। সোমবার সকাল ৮টা ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার দুপুরে কারখানাটিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুনের ফলে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়, দুজনের বাড়ি নাটোর এবং একজনের বাড়ি রাজশাহী।
নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের মো. রুবেল প্রামানিক, পিতা- মো. সাইদুর রহমান; মো. কলিমউদ্দিন, পিতা- মৃত বজলুর প্রামানিক; মো. মোহন এবং মো. সুমন, পিতা- গুফফার প্রামানিক এবং খরস্রোতা গ্রামের মজিদুল, পিতা- মজনু রয়েছেন। এছাড়াও উজানপই গ্রামের ফরিদ, ডুবাই গ্রামের শুভ ও সুমন, বোয়ালা গ্রামের হৃদয়; নওগাঁ গ্রামের শাহিন; খরস্রোতা গ্রামের আব্দুল জলিল এবং সাদনগর গ্রামের সাগরও নিহত হয়েছেন। একই উপজেলার মিনহাজের গ্রামের নাম প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের শামিম এবং খাজুরা গ্রামের সাব্বিরও এই অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন। অপর একজন নিহত ব্যক্তি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রাম, ডাংগাপাড়া এলাকা থেকে শ্যামল। এই তথ্যটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। অগ্নিকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন