প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত কিংফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত দল বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করেছে, যেগুলোর বৈধ কাগজপত্র ছিল না।
এনবিআরের নির্দেশনায় এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) তত্ত্বাবধানে গতকাল রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় গুলশানের রোড-৪৫-এ অবস্থিত কিংফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়। এই কার্যক্রম প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলেছিল। আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনবিআর এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
সূত্র জানায়, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ উৎস এবং চোরাচালানের মাধ্যমে সংগৃহীত অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়ের মজুত শনাক্ত করা। একই সঙ্গে, এসব পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি দেওয়া হয়েছে কি না, বিক্রয়লব্ধ অর্থ আয়কর নথিতে সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনে মানি লন্ডারিংয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযানে এনবিআরের চারটি গোয়েন্দা সংস্থা অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)। অভিযানের পুরো সময় বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১) সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।
কাস্টমস আইন, ২০২৩, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানে আটক পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ এবং পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম সম্পর্কে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে আটক অ্যালকোহলের পরিমাণ ও সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির আর্থিক হিসাব বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন