প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬২ জনে পৌঁছেছে। এদিকে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৪০৩ জন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিকের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয়।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছে, তিব্বতের গিয়িরং কাউন্টিতে কাদাধসের ঘটনায় নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। মৃতের সংখ্যা তিনজন বলে জানানো হয়েছে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যাকবলিত এলাকায় এত সংখ্যক পর্যটক কেন ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকা দুটি পবিত্র উচ্চভূমির হ্রদের জন্য হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
একটি হ্রদ হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি নেপালের রাসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে ভ্রমণ করেন।
বছরের এই সময়, বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য, মানস সরোবর ভ্রমণ এবং গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নান করতে আসা একটি প্রচলিত বিষয়।
আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পাণ্ডিত বলেন, "এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রুট। পূর্ণিমার সময়টি শুভ বলে বিবেচিত হওয়ায় পর্যটকেরা সাধারণত এই সময়েই এখানে আসেন।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন