প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঘুটঘুটে অন্ধকার এবং মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র শীতের মধ্যে অ্যান্টার্কটিকায় একটি অস্ট্রেলীয় বিমানকর্মী দলের দ্বারা অভাবনীয় দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্টার্কটিক অভিযানের অসুস্থ এক সদস্যকে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করার জন্য একটি জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিমান মিশন পরিচালনা করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিমান পরিবহন সংস্থা স্কাইট্রেডার্স জানাচ্ছে যে, ম্যাকমুর্ডো স্টেশন থেকে জরুরি ভিত্তিতে একজন রোগীকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ পাওয়ার পর এয়ারবাস এ৩১৯ মডেলের একটি বিশেষ বিমান রওনা হয়। তবে, মিশনের শুরুতেই তীব্র বাজে আবহাওয়ার কারণে প্রায় ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় মিশনটির। অবশেষে, তাসমানিয়ার হোবার্ট শহর থেকে স্নোবার্ড-১ নামের বিমানটি উড্ডয়ন করে এবং বরফের রানওয়েতে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
স্কাইট্রেডার্সের উপ-প্রধান নির্বাহী ডানকান ম্যাকে জানান, খবর পাওয়ার পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিমানটিকে পূর্ণাঙ্গ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা হয়েছিল। সমস্ত চরম প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করলেও পুরো দলের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে এই কঠিন ল্যান্ডিং সফল হয়। উল্লেখযোগ্য যে, ২১ জুনের শীতকালীন সংক্রান্তির (উইন্টার সোলস্টিস) এত কাছাকাছি সময়ে এর আগে কখনো কোনো বেসামরিক বিমান সেখানে অবতরণ করেনি।
উদ্ধার অভিযানের ক্যাপ্টেন আল ওয়ালাক জানান, শূন্যের নিচে ৪৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা ও সম্পূর্ণ অন্ধকারের কারণে বিমানটির পরিস্থিতি সর্বোচ্চ ক্ষমতার শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। নির্ভুল পরিকল্পনা, আবহাওয়াবিদ এবং সঠিক মেডিক্যাল টিমের সমন্বিত প্রচেষ্টাতে এই মিশন সফল হয়েছে। পরে অসুস্থ মার্কিন সদস্যটিকে নিরাপদে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বর্তমানে সুস্থ আছেন।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন