প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো’র অধীনে মোট ১৮০ জন বন্দিকে তাদের নিজনিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ১৩২ জন বন্দিকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তালিকার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ২২, ভিয়েতনাম থেকে ১২, থাইল্যান্ড থেকে ৯, নেপাল থেকে ২ এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুর থেকে একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের একটি বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১ এবং ২, সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন কমপ্লেক্সের মাধ্যমে এই বন্দিদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এই বন্দিরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার কারণে কারাভোগ করছিলেন, যার মধ্যে পেনাল কোড (আইন ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (আইন ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫), এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ অন্তর্ভুক্ত।
সাজার পর ইমিগ্রেশন বিভাগ বন্দিদের নির্বাসনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বহিষ্কৃত এ সকল বন্দিদের ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে, একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তারা আর মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
বন্দিদের প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় বিমান টিকিটের খরচ বন্দিদের নিজেদের তহবিল, তাদের পরিবারের আর্থিক সাহায্য, এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে বহন করা হয়েছে।
পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো স্পষ্ট করে জানিয়েছে, টিকিট ক্রয়সহ এই ফেরত প্রক্রিয়ার সমস্ত কাজ ডিপোর নিজস্ব সার্ভিস কাউন্টার থেকে করা যাবে। এছাড়া এর জন্য কোনো ‘সার্ভিস চার্জ’ বা অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয় না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন