প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকে সহজতর করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চীন। আসন্ন ১৪০তম চীন আমদানি ও রপ্তানি মেলায় বাংলাদেশি আবেদনকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগকে সহজ করার লক্ষ্যে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস বিশেষ ভিসা সুবিধার ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিন ধাপে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কুয়াংতুংয়ের রাজধানী গুয়াংঝুতে ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই মেলায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা চালু করা হয়েছে।
ক্যান্টন ফেয়ারের ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে মেলা কর্তৃপক্ষের দেওয়া আনুষ্ঠানিক ‘আমন্ত্রণপত্র’ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য আবেদনকারীদের পূর্ববর্তী ভিসা, ভ্রমণের রেকর্ড এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি লেটার অনলাইন আবেদনের সঙ্গে আপলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে দূতাবাস গ্যারান্টি লেটারকে ঐচ্ছিক নথি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
দূতাবাস জানিয়েছে, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদনপত্র সরাসরি ফেরত দেওয়া হবে। ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং ভ্রমণ পরিকল্পনায় বিঘ্ন এড়াতে আবেদনকারীদের সতর্কতার সঙ্গে সঠিক তথ্য দিয়ে অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আমন্ত্রণপত্র পরিবর্তন, মিথ্যা তথ্য প্রদান কিংবা জাল নথি জমা দিলে আবেদন স্থায়ীভাবে প্রত্যাখ্যান হতে পারে। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের হয়ে অন্য কোনো ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের এজেন্সির মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
ভিসাসংক্রান্ত সেবার জন্য কোনো এজেন্সি বা ব্যক্তিকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি বলেও জানানো হয়েছে। ‘নিশ্চিত ভিসা’, ‘ভিসা না হলে টাকা ফেরত’ কিংবা ‘বিশেষ চ্যানেল’-এর মতো প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ না হতে আবেদনকারীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
দূতাবাস আরো জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী ভিসার মেয়াদ ও চীনে প্রবেশের অনুমতি কেবল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই নির্ধারণ করবে।অতএব, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কথিত প্রভাব কিংবা বিশেষ সুবিধার প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চীনা দূতাবাস আইনানুগ ও স্বচ্ছ ভিসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্মী ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন