প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলকাতা থেকে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থিত ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ফলে এই মৃত্যু ঘটেছে। কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের নির্দেশনায় মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য দুইটি সীমান্ত ব্যবহার করা হবে।
এই নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্তের মাধ্যমে এবং একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের মাধ্যমে দেশে আনা হবে। বেনাপোল সীমান্তে যাদের মরদেহ পাঠানো হবে, তারা হলেন কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, শর্ণশীষ দত্ত, মো. আকরাম আলী এবং সাভারের আহামেদ বাবু। অন্যদিকে, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পোঁছে দেয়া হবে।
কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলের মধ্যে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। তবে যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে শনিবার (২২ আগস্ট) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এছাড়া, নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে। সূত্র জানায়, রেবতী সরকারের ছেলে তার মাতার মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কিন্তু, কলকাতায় সৎকারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নেয়া প্রয়োজন। এই বিষয়ে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়, নিহত অন্য দুজন ভারতীয় নাগরিক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন