প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কম বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থী সংকটের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে হাতেগোনা শিক্ষার্থী দেখা যায়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থী সংকটের মধ্যেই অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছরই এভাবে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী আনার ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভর্তি, নিবন্ধন ও এসএসসি পরীক্ষার নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের পড়াশোনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তান এই বিদ্যালয়ে না পড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে। এ বিষয়েও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বাড়ির কাছে বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী নাগেশ্বরী উপজেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছে। ফলে এলাকার একটি প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় কেন নিজ এলাকার শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা, উপস্থিতির হার, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিযোগসহ সার্বিক বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
তাদের দাবি, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংকটের প্রকৃত কারণ এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন