প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার বছর আগে কাতারের মরুভূমিতে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তুললেও শিরোপা জিততে পারেননি। তবে বয়সের ভারে ২০৩০ বিশ্বকাপে মেসির খেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন একটি স্বপ্ন দেখছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা, এবং সেই স্বপ্নের নাম হলো থিয়াগো মেসি।
বর্তমানে থিয়াগো ১৩ বছর বয়সী। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় এই বয়সে পা দেবে ১৮ বছরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, বয়স ও প্রতিভার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে থিয়াগো আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকতে পারে। যদিও বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে, এবং এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে খেলছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে সে। থিয়াগোর পারফরম্যান্সের ওপর নজর রাখছেন ফুটবলপ্রেমীরা, এবং তারা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহী।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও থিয়াগো এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সিতেই খেলতে চায়। বাবার পথ অনুসরণ করে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য ও পরিকল্পনা।
মেসি পরিবারের ফুটবল ঐতিহ্য শুধু থিয়াগোতেই সীমাবদ্ধ নয়। তার দুই ছোট ভাই মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির সাফল্যের সঙ্গে থিয়াগোকে তুলনা করা এখনই ঠিক হবে না। বরং থিয়াগোকে সময় দিয়ে তার স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কল্পনায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তব হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত থিয়াগো মেসিকে ঘিরে আশাবাদ ও আগ্রহ দিন দিন বাড়ছেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন