প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হতে শুরু করবে। জুলাইয়ের মাসের মধ্যেই মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের বিষয়ে সুখবর আশা করা যাচ্ছে।
বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। মালয়েশিয়া সফরের ব্যাপারে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এই সফরটি অত্যন্ত সফল এবং ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের আন্তরিক সহযোগিতার ফলে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিতে ইতিবাচক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
তিনি আরো আশা করেন, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন। এর ফলে চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশাল অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।
ওসমানী বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নের জন্য বিমানবন্দ্রে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তার প্রয়োজনীয় যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধার গ্রহণে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি যোগ করেন, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারে বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর নিরাপত্তা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাতে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণের জন্যও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগগুলো বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হবে।
মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বা অসচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক একটি ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
দুর্ভাগ্যবশত, কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়েও সরকার ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন