প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের পবিত্র শহর কোমের জামকারান মসজিদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে এই জানাজার নামাজ শুরু হয়। লাখ লাখ শোকাহত মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেছেন।
কোমের গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাওয়াদি আমোলি ইমামতি করেন এই জানাজায়। শোকানুষ্ঠানে ইরানের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ, ধর্মীয় আলেম, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সামরিক কমান্ডার এবং বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। জানাজার নামাজ শেষে মরদেহবাহী শোকযাত্রা জামকারান মসজিদ থেকে হজরত ফাতিমা মাসুমা (সা.)–এর মাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল থেকেই ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল হতে হাজার হাজার মানুষ পবিত্র শহর কোমে আসা শুরু করেন। আজ ভোরের আগেই জামকারান মসজিদের পুরো প্রাঙ্গণ এবং চারপাশের রাস্তা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। শোকাহত বহু মানুষ পায়ে হেঁটে এবং অনেকে যানবাহনে করে বিশাল এই শোকযাত্রায় যোগ দিলেন। তাদের হাতে ইরানের জাতীয় পতাকা এবং বিশেষ লাল পতাকা দেখা যায়।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। দীর্ঘ চার মাস পর শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। এরপর শনিবার (৪ জুলাই) ও রোববার (৫ জুলাই) সেখানে বিদায় অনুষ্ঠান এবং প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৬ জুলাই) তেহরানের রাজপথে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে আরেকটি বড় শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, খামেনির এই শোকানুষ্ঠান পবিত্র শহর কোম এবং প্রতিবেশী দেশ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় অব্যাহত থাকবে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.)–এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে চূড়ান্ত জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন