প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ব্যস্ত সূচিতে দেশের হয়ে বড় কোনো পদকের জন্য লড়াইয়ের সুযোগ খুব বেশি আসে না। তবে এশিয়ান গেমসে এবার সেই বিরল সুযোগটি এসেছে। তাই জাপানে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের লক্ষ্য একটাই—ফাইনালে পৌঁছানো এবং সোনা জয় করা।
বুধবার দলের জাপান যাত্রার আগে অধিনায়ক লিটন দাস জানিয়েছেন, এশিয়ান গেমস নিয়ে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারই রোমাঞ্চিত। তাঁর মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ কিংবা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়মিত হলেও দেশের হয়ে এশিয়ান গেমসে সোনার পদকের জন্য লড়াইয়ের সুযোগ বিশেষ কিছু।
লিটন বলেন, “প্রত্যাশা সব সময়ই থাকবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়মিত হয়, কিন্তু এশিয়ান গেমস একটি বিরল সুযোগ। এই স্বপ্ন পূরণ করতে সব খেলোয়াড়ই খুবই উচ্ছ্বসিত।”
২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে সেবার টেস্ট খেলুড়ে বড় দলগুলো তাদের শক্তিশালী স্কোয়াড পাঠায়নি। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ভারত ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দল শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে নামায়, ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও কঠিন হওয়ার কথা।
তবে লিটন প্রতিপক্ষ নিয়ে বেশি না ভেবে নিজেদের পারফরম্যান্সেই মনোযোগ দিতে চান। বাংলাদেশের অধিনায়কের স্পষ্ট লক্ষ্য, টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে সোনার পদক জয় করা।
পুরুষদের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশ সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে খেলবে ২৯ সেপ্টেম্বর। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশও সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পেয়েছে।
এশিয়ান গেমসের এই অভিযান বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য আরও বড় একটি সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট। সেখানে মাত্র ছয়টি দল অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। ফলে অলিম্পিকে জায়গা করে নেওয়ার লড়াই হবে বেশ কঠিন।
লিটনের কাছেও অলিম্পিকে খেলার স্বপ্নটা বড়। তবে আপাতত তাঁর পুরো মনোযোগ এশিয়ান গেমসে।
“কে অলিম্পিকে খেলতে চাইবে না? তবে আমাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো ম্যাচ ধরে ধরে ভালো খেলে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পৌঁছানো,” বলেন লিটন।
এশিয়ান গেমসে ভালো কিছু করার প্রভাব শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলেও মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তাঁর মতে, দেশের জন্য খেলাধুলার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জন করা বড় একটি সুযোগ।
লিটনের ভাষায়, “খেলার মাধ্যমে দেশের জন্য অর্থবহ কিছু করা একটি বিশেষ সুযোগ। আমরা এখানে ভালো করতে পারলে এবং অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জনের পথ তৈরি করতে পারলে, বাংলাদেশের অন্যান্য খেলাধুলার ক্ষেত্রও এর সুফল পাবে।”
তাহলে জাপানে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সামনে শুধু একটি সোনার পদকের লক্ষ্যই নয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য আরও বড় সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়ার সুযোগও রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন