প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৭ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ এবং নেপাল যৌথভাবে আয়োজন করবে। এই টুর্নামেন্টটি ১৬টি দলের অংশগ্রহণে আগামী ২১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বুধবার (২১ অক্টোবর) এই টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশ করেছে। চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কাঠমান্ডুর চারটি ভেন্যুতে (কাঠমান্ডুতে দুটি স্টেডিয়াম) ১৬টি দল মোট ৪১টি ম্যাচে প্রতিযোগিতা করবে।
ভারত গত দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে শেফালি ভার্মার নেতৃত্বে এবং ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় নিকি প্রসাদের অধীনে শিরোপা জেতে ভারত। এবারের টুর্নামেন্টে ভারত ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপের অন্যান্য দলগুলো হলো আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সহ-আয়োজক নেপাল। ২২ জানুয়ারি কাঠমান্ডুর টিইউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ড ও নেপাল মুখোমুখি হবে।
‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান এবং সামোয়া। ‘সি’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত রয়েছে। ‘ডি’ গ্রুপে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র এবং স্কটল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত।
উদ্বোধনী দিনে ২১ জানুয়ারি চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক দেশ বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেন্যুতে বিকেলে অস্ট্রেলিয়া নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে। কাঠমান্ডুর আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে, এরপর ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রুপ পর্ব ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে তিনটি করে দল সুপার সিক্স পর্বে উঠবে। সুপার সিক্সে নয়টি দল দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে প্রবেশ করবে।
৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। একই মাঠে ৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের পরের দিন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, "এই টুর্নামেন্ট তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার একটি মঞ্চ তৈরি করবে।"
তিনি আরও বলেন, "আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আমাদের খেলার ভবিষ্যৎ প্রতিভাদের তুলে ধরার মঞ্চ। তরুণ খেলোয়াড়রা তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে শীর্ষ পর্যায়ে ক্যারিয়ার গড়ার পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুযোগ। ১৬টি দলের খেলোয়াড়রা বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করবে এবং তারা অন্যান্য ক্রিকেটারদের কাছে পরিচিত ও অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে উঠবে।"
গুপ্তা বলেন, "বাংলাদেশ এবং নেপালকে আয়োজক হিসেবে বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বিকাশে আইসিসির আস্থা ও বিনিয়োগের প্রতিফলন। দুই দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে হওয়ায়, বিশ্বের অন্যতম বড় যুব ক্রীড়া আসর আয়োজনের জন্য দেশ দুটি আদর্শ।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন