প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের ঘটনা নতুন নয়, তবে সম্প্রতি সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় ইয়াবার চালান উদ্ধার হওয়া উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক কারবারিরা নদীতে ইয়াবার চালান পার করার জন্য নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। এই প্রেক্ষিতে, নাফ নদীতে ভেসে আসা একটি ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাফ নদী ও তার আশেপাশের এলাকায় মাদক পাচারকারীদের কার্যক্রম রোধ করতে নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা, যার মধ্যে কোস্টগার্ডও রয়েছে। নদীতে ভাসমান ইয়াবার চালান পাওয়ার ঘটনায় মাদক পাচারের নতুন কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা নাফ নদীতে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা প্রায় প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো নৌযানে, কখনো বিভিন্ন পণ্য বা সামগ্রীর আড়ালে এবং কখনো নদীতে ভাসিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নাফ নদীকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানাচ্ছেন, সীমান্তপথে ইয়াবা পাচার রোধ করতে নাফ নদী ও তার আশেপাশের এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নদীতে ভাসমান সন্দেহজনক বস্তু বা প্যাকেট দেখলেই তা তল্লাশি করা হচ্ছে।
একদিকে সীমান্তে মাদক পাচারের চেষ্টা, অন্যদিকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় ইয়াবার চালান উদ্ধারের ঘটনায় নাফ নদীকে ঘিরে মাদক কারবারিদের নতুন কৌশল নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু চালান উদ্ধার নয়, এর সঙ্গে জড়িত পাচারকারী ও অর্থের জোগানদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন