প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাসভিত্তিক ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের দরপত্র প্রক্রিয়া কোনো দরদাতা নির্বাচন ছাড়াই বাতিল করা হয়েছে। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর, গত মে মাসে দেশটির স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দপ্তর চারটি দরপত্র পেয়েছিল। এসব প্রস্তাবে মোট ২ হাজার ৮৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, প্রস্তাবদাতাদের গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়েছিল। কিন্তু তারা তা দিতে সক্ষম হননি। এর ফলে কোনো দরদাতাকে নির্বাচিত করা সম্ভব হয়নি।
দক্ষিণ আফ্রিকা তার অধিকাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিবেশী দেশ মোজাম্বিক থেকে আমদানি করে থাকে। তবে বর্তমানে দেশটিতে গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাচ্ছে। এতে দক্ষিণ আফ্রিকার শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কয়েক বছরের মধ্যে মোজাম্বিকের গ্যাসের মজুত ও সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আফ্রিকার সবচেয়ে উন্নত অর্থনীতির দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। এই লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটি।
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, দক্ষিণ আফ্রিকা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ করছে। এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি কোম্পানি এক্সনমোবিল এবং দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসকম প্রধান গ্রাহক হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
তবে, পরবর্তী দফায় গ্যাস কেনার জন্য কবে দরপত্র আহ্বান করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনও কিছু জানায়নি। দরপত্র প্রক্রিয়া সফল না হলেও, বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা সরে আসেনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন