প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিত্যপণ্যের দামের সামান্য পরিবর্তনও একটি পরিবারের মাসিক বাজেটে সরাসরি প্রভাব ফেলে। কৃষি বিপণন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে চাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। তবে অন্যান্য পণ্যের মধ্যে ডাল, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম বেড়েছে।
চাল, ডাল, তেল, সবজি সহ সকল প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সঙ্গে জড়িত। এসব পণ্যের দামে সামান্য পরিবর্তন সাধারণত কখনো স্বস্তির সৃষ্টি করে, আবার কখনো বাড়তি চাপ তৈরি করে পরিবারের মাসিক খরচে।
কৃষি বিপণন অধিদফতর জানাচ্ছে, জুন মাস শেষে গত এক বছরে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, সুগন্ধি চালের দাম বেড়ে গেছে প্রায় ৩৬ শতাংশ। ডালের বাজারে, মসুর ডালের দাম কেজিতে ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে গেছে। আবার খেসারির ডালের দাম প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ কমেছে।
মসলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং রসুনের দাম ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। তবে শুকনা মরিচের দাম বেড়ে গেছে ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।
ভোজ্যতেলের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। পাম তেলের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। ব্র্যান্ড অনুসারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এবং খোলা সরিষার তেলের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ।
মাংসের বাজারেও দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ, দেশি মুরগির দাম ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, গরুর মাংসের দাম ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাগলের মাংসের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
তবে স্বস্তির খবর হলো, এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দাম ২ শতাংশের উপরে কমে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন