প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাইফুন ‘বাভি’ চীনের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘূর্ণিঝড়টি দেশটির পূর্বাঞ্চলের বড় শহর ওয়েনঝৌ থেকে ৬ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) স্থানান্তর করা হয়েছে। জানায় জিও নিউজ।
এর আগে এটি জাপানের দক্ষিণাঞ্চল সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করে এবং তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চলের দিকে চলে যায়।
যদিও টাইফুন ‘বাভি’র গতি ও শক্তি কিছুটা কম হচ্ছে ঠান্ডা সমুদ্রের ওপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সময়, তবুও এটি এখনও একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। কারণ এতে বিশাল বৃষ্টির মেঘে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প বিদ্যমান। পুরো বৃষ্টির বলয়টি প্রায় ফ্রান্সের সমান আয়তনের।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, টাইফুনটি রোববার (১২ জুলাই) ভোরে প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষের শহর ওয়েনঝৌতে আঘাত হানতে পারে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে, ঝেজিয়াং প্রদেশ থেকে ৫ লাখের বেশি মানুষ এবং পাশের ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে ১ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওয়েনঝৌর ৫০ বছর বয়সি বাসিন্দা হুয়াং শিংহুয়ান বলেছেন, ‘কিছুটা চিন্তা তো আছেই। তবে আমার মনে হয় সব ঠিক থাকবে। আগেও আমরা অনেক টাইফুন মোকাবিলা করেছি, এবারও পারব।’
টাইফুনের আগে বাজার বন্ধ হওয়ার আগেই তিনি পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য বের হয়েছিলেন। তিনি জানান, তাদের পরিবারের কাছে দুই থেকে তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত পানি রয়েছে।
তাঁর ভাষায়, ‘এখন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সরবরাহ ভালো আছে। তাই আতঙ্কিত হওয়া বা অতিরিক্ত খাবার-দাবার মজুত করার কোনো দরকার নেই।’
এদিকে, জাপান ও তাইওয়ানে এখনও টাইফুনের কারণে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ‘বাভি’র প্রভাবে ফিলিপিনসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু ঘটে মৌসুমি বৃষ্টির কারণে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন