প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণপূর্ত অধিদপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বদলি ও পদায়ন-সংক্রান্ত অনিয়ম এবং তদবির বন্ধের লক্ষ্যে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ লটারি প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। তবে, কিছু গণমাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার চেষ্টা দেখা গেছে, যা গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের মতে, দুঃখজনক।
শনিবার ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বা মন্ত্রণালয় যখন কোনো ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করে, তখন অনেক সময় সংবাদে তার ইতিবাচক দিকগুলো যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। তিনি একটি উদাহরণ তুলে ধরেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ও অনিয়মের কথা শোনা যাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। কীভাবে তদবির ও অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করে একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা বিবেচনা করে লটারির মাধ্যমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত তদবির বা প্রভাব যেন কাজ না করে, সে জন্য সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত পরিবেশে লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১ হাজার ৫৮৫ জন প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়নে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। তবে, সব ক্ষেত্রে সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। কিছু মানবিক বিবেচনার বিষয়ও থাকে, সেসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য বন্ধ করতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লটারি আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু সেই বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার চেষ্টা কিছু গণমাধ্যমে দেখা গেছে। এ ধরনের প্রবণতা সবার জন্যই কষ্টদায়ক।
জাকারিয়া তাহের বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করেন। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্দশাগ্রস্ত সাংবাদিকদের সহায়তা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলোকে উৎসাহিত করতেও ভূমিকা রাখতে পারেন।
সমাবেশে সংস্থাটির বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন