প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের পর বিরোধীরা আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে।
সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি জানান, আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বড় মিছিল আয়োজনের পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারকে অভিশংসনের দাবিতে একটি ‘মক পার্লামেন্ট’ বা প্রতীকী সংসদ অধিবেশন আয়োজনের প্রস্তাব উঠেছে। এই অধিবেশনে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
গত অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে বিরোধীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইন বাতিল এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) স্থগিতের দাবি জানায়। এছাড়াও, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৩ কোটি ভোটারের নাম পুনর্বহালের দাবিও তারা তোলে। রাষ্ট্রপতি ভোট চুরির অভিযোগের প্রমাণ চাওয়ার জবাব দেন।
১২ অক্টোবর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের একতরফা সিদ্ধান্ত এবং ভোটাধিকার থেকে যোগ্য নাগরিকদের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।
নবরাত্রি ও দুর্গাপুজোর কারণে আন্দোলনে সাময়িক বিরতির পর কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলো ফের জনসমর্থন বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন শরিক দলকে নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন