প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিস্ফোরকবোঝাই যান দিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। এ হামলায় মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে ১২ সেনাসদস্যও রয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে ১২ হামলাকারী নিহত হওয়ার তথ্যও জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। রয়টার্সের খবরে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী টাংক জেলার নিরাপত্তা চৌকিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হামলাটি সংগঠিত হয়। হামলাকারীরা সর্বপ্রথম চৌকির দেয়াল ভেদ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়ে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি চৌকির বাইরের দেয়ালে আঘাত করায়, সেখানে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর ফলে ১৫ জন, যাদের মধ্যে ১২ সেনাসদস্যও অন্তর্ভুক্ত, নিহত হন।
হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী অভিযানে ১২ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছিল বলে জানা গেছে।
নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, হামলায় চারটি আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী অংশগ্রহণ করেছিল।
২০০৭ সাল থেকে টিটিপি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। সরকার অভিযোগ করেছে, আফগানিস্তানের নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থানকারী গোষ্ঠীটি পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
অপরদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এই অভিযোগগুলো বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। তারা দাবি করে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সঙ্কটের ফল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন