প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ একই দিনে একক নাটকে অভিষেক ঘটছে এবং প্রথম ধারাবাহিক ‘পরম্পরা’ শেষ হচ্ছে। নিশ্চয়ই দোটানায় আছেন?
একদিকে আনন্দ অনুভব করা হচ্ছে, অন্যদিকে কষ্টও অনুভব হচ্ছে। ‘পরম্পরা’র স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। প্রথম দিন যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন প্রচণ্ড নার্ভাস অনুভব করছিলাম। চারপাশে ভারী লাইট, বড় ক্যামেরা, এবং প্রোডাকশনে শত শত মানুষ ছিল। এক্সপ্রেশন কী দেব, সংলাপ কিভাবে বলব, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। আমার বেশিরভাগ দৃশ্যগুলো ছিল ডলি জহুর ও সুষমা সরকারের সঙ্গে। তাঁরা দুজনই আমাকে হাতে ধরে শিখিয়েছেন। তাঁদের প্রতি ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তাছাড়া ইউনিটের সবাই অনেক সাহায্য করেছেন। এখনো সবাই আমাকে সাহস দেন এবং সহযোগিতা করেন। এ কারণেই আমার পথচলাটা সহজ হচ্ছে। অন্যদিকে আজ এনটিভিতে আমার অভিনীত প্রথম একক নাটক ‘আয়না’ প্রচারিত হবে। এতে আমার সঙ্গে অভিনয় করেছেন আবু হুরায়রা তানভীর। পরিচালনা করেছেন মুরাদ পারভেজ ভাই। আমি অপেক্ষা করছি একক নাটকে দর্শক আমাকে কতটা গ্রহণ করে সেটা দেখার জন্য।
মুরাদ পারভেজের পরিচালনায় আরো কয়েকটি নাটক করেছি।
হ্যাঁ, ‘চাঁদের কপালে চাঁদ’ এবং ‘চেনা গল্প’ নামের দুটি নাটক আমি এর মধ্যে করেছি। এই নাটক দুটিতেও তানভীর আমার সহশিল্পী। এ দুটিও এনটিভিতে প্রচারিত হবে। তাছাড়া আগামী মাসে সাতটা নাটক নিয়ে শ্রীমঙ্গল যাচ্ছি আমরা। সেখানে মুরাদ পারভেজ ভাইয়ের পরিচালনা থাকবে। আরো দুজন পরিচালক আছেন এই প্রজেক্টগুলোতে, তাঁরা হলেন রুদ্র বিপ্লব ও ধ্রুব আহমেদ।
পড়াশোনার পাশাপাশি এত নাটকে কাজ করছেন। সব সামলাতে পারছেন কি?
একটু কষ্ট তো হচ্ছে। আমি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দশম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। বুঝতেই পারছেন পড়ার চাপ কত বেশি! তবুও আমি চেষ্টা করছি অভিনয় এবং পড়াশোনা সমান তালে এগিয়ে নিতে।
‘দীপ্ত স্টার হান্ট’ থেকে এসেছেন। সেই পথচলাটা কেমন ছিল?
কাকতালীয়ভাবে আমি এই রিয়ালিটিতে যুক্ত হয়েছিলাম। একদিন আমার এক বন্ধু ফেসবুকে স্টার হান্টের বিজ্ঞাপন দেখে। সে আমাকে ফোর্স করে অংশ নেওয়ার জন্য। আমি ভাবলাম, এক দিনের ব্যাপার। যাব, অডিশন দেব এবং বাদ পড়ে যাব। নির্ধারিত দিনে গেলাম। প্রতিযোগী দেখলাম ছয়-সাত শ হবে। তিনটা অডিশন হলো। প্রথমটা দেওয়ার পর দ্বিতীয়টায় ডাক পড়ল। অবাক হলাম, একি! টিকে গেলাম? দ্বিতীয়টা দেওয়ার পর আবার তৃতীয়টায় ডাক পড়ল। সেটায়ও টিকে গেলাম। এবার কী করব? বাসায় ভয়ে ভয়ে ঘটনাটা বললাম। পরিবার মনে করল তিনটা অডিশনে টিকেছে তো কী হয়েছে! এবার বাদ পড়ে যাবে। আমিও পরে বাদ পড়ার প্রস্তুতি নিয়ে গেলাম। হায় হায়! দেখি সেরা ৪০ থেকে সেরা ২০-এ টিকে গেলাম। এবার একটু সিরিয়াস হলাম। পরে সেরা ৫-এ গিয়ে বাদ পড়লাম। তখন মন খারাপ হয়েছিল খানিকটা।
আপনি তো ঢাকা পদাতিকেও ছিলেন...
মাত্র ছয় মাস দলটির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তখন কিছু ওয়ার্কশপও করেছিলাম। সৈয়দ জামিল স্যারের একটা ওয়ার্কশপ খুব কাজে লেগেছে। পরে পড়াশোনার চাপে আর নিয়মিত হতে পারিনি।
ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
অবশ্যই আমি শীর্ষস্থানে যেতে চাই। আমি যখন কোনো কাজ সিরিয়াসভাবে নেই, সেটি করে দেখাই। এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কত দিনে অভিনেত্রী হিসেবে শীর্ষস্থানে যেতে পারব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন