প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং সিনেট নির্বাচনে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বড় ধরনের জয়ের প্রত্যাশা করছে। নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে জরিপ এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অপিনিয়ন'-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গত জুলাই ও সেপ্টেম্বরে দেশের শীর্ষ ছয়জন জরিপকারী এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছিল। প্রথমে সেখানে ব্লু ওয়েভ বা ডেমোক্র্যাটিকদের শক্ত অবস্থান তৈরির ইঙ্গিত ছিল। তবে ভোটের শেষ মুহূর্তে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ বলছে, বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি অত্যন্ত অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ছয় বিশেষজ্ঞের মধ্যে পাঁচজনই পূর্বাভাস দিয়েছেন যে ডেমোক্র্যাটরা একই সঙ্গে হাউস এবং সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারে।
কংগ্রেসে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হাউসে মোট ২১৮টি আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে হবে। অপরদিকে, বর্তমানে সিনেটের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্টের টাই-ব্রেকিং ভোটের বাধা পেরিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসন বেশি (কমপক্ষে ৫১টি আসন) পেতে হবে।
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত জনপ্রিয়তার ধস, এমনকি আইওয়া, ক্যানসাস এবং টেক্সাসের মতো প্রথাগত রক্ষণশীল অঙ্গরাজ্যগুলোতেও ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করছে যে দলটি অন্তত ২৩৫ থেকে ২৪০টি হাউস আসন পেতে পারে।
জরিপের তথ্যানুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা যে পর্যায়ে নেমেছে, বাস্তবে পরিস্থিতি তার চেয়েও নাজুক। মাত্র ২০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার কর্মকাণ্ডে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন, যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশ নাগরিক সরাসরি তার তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধিতা প্রকাশ করেছেন।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, নভেম্বরের এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে হয়তো ডেমোক্র্যাটরা সাময়িক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে, তবে এটি উভয় দলের জন্যই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ—বিশেষ করে রিপাবলিকান পার্টির জন্য পরিস্থিতি এখনই বেশ জটিলাকার ধারণ করেছে। সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন