প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে নিহত ১০৫ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের আত্মীয়স্বজন ও উদ্ধারকারীরা। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলোর কফিন নিয়ে একটি শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেগুলো গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর। গাজা সিটির ইয়ারমুক স্কয়ার এলাকায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী অন্তত ২০টি বোমা ফেলেছিল। এই প্রাণঘাতী হামলায় ‘আল তাজ ৩’ নামক একটি ৭ তলা আবাসিক ভবনসহ একাধিক বহুতল ভবন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।
গাজার সিভিল ডিফেন্স অপারেশনস ডিরেক্টর আব্দুল আল-মাজদালাউই জানিয়েছেন, হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে পৌঁছানো ছিল একেবারেই অসম্ভব। তিনি বলেন, "উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত বুলডোজার, এক্সকাভেটর এবং ভারী যন্ত্রপাতিগুলোকে ইসরায়েলি বাহিনী সরাসরি ও পরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছিল, যার ফলে লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।"
হারিয়ে গেছে পুরো পরিবার
পরবর্তীতে মিসরীয় কমিটির সহযোগিতায় এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এই মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর আল জাজিরার প্রতিনিধির বরাতে জানা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর লাশ উদ্ধারের দিক থেকে এটি পঞ্চম বৃহত্তম অভিযান।
এই ভয়াবহ হামলায় নিজের পরিবারের ৩৭ জন সদস্যকে হারিয়েছেন ওসামা শরাফ। ক্ষোভ ও কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, "যুদ্ধের শুরুর দিকে আমরা কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। আর আজ আমার বাবা, মা, ভাইবোন ও ভাগ্নেসহ আরও ১৬ জনের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন