প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় চোর আটক হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ভয়াবহ এই সংঘর্ষের ফলে এলাকার বাড়িঘর ভাঙচুরেরও ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ মোট ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যাবেলায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গে জানানো হয়।
এই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় মোট ১৩ জনকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন: ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০), জলিল গাজী (৪৬), ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), এবং জাহিদুল বরকতউল্লাহ (৩৮)।
জানা গেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদকবিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে আটক করেন উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে। এ অবস্থায়, ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদকবিরোধী কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে এবং ওই ৩ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
মাদকবিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, “আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুল্লাহ এই ৩ জন মিলে ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেই।”
তিনি আরও জানান, “পরবর্তীতে কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা ও মারধর করে এবং আমাদের কার্যালয় ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই ৩ জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।” কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। তিনি জানান, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন