প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, এনসিপির নেতাকর্মীরা এখন সৎ হয়ে উঠেছে সুযোগের অভাবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি দল থেকে বিরোধীদলে যাওয়ার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা আর অপকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে না। সচিবালয়ে কিংবা সচিবের রুমে ঢুকে যেকোনো ধরনের অশালীন আচরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এক্ষেত্রে তাদের সৎ হয়ে ওঠা একটি ইতিবাচক বিষয় বলে তিনি মনে করেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের মধ্যে এনসিপির নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের দাপট তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন।
প্রতিদিন গণমাধ্যমে কোনো না কোনো এনসিপি নেতার খবর প্রকাশিত হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদি এনসিপির তিনটি অপরাধ চিহ্নিত করেছিলেন। তিনি বলেন, এনসিপি জুলাই মাসে ঐক্য বিনষ্ট করেছে, আওয়ামী লীগের ৭১ কুক্ষিগত করার মতো এনসিপি জুলাইকে কুক্ষিগত করেছে এবং এনসিপি দুর্নীতি করেছে। তবে বর্তমানে এসব বিষয় আর দেখা যাচ্ছে না।
জামায়াত-শিবিরের ক্ষেত্রে ভিন্ন পরিস্থিতি লক্ষ্য করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তাদের অপকর্ম গণমাধ্যমে আসেনি। কিন্তু এখন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। অনেকেই লিখছেন, ‘সরকারি দলের লোকজন যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করার কথা, সেখানে প্রধান বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যারা বিরোধীদলে যাওয়ার পর এমন বেপরোয়া হতে পারে, তারা ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগকেও হার মানাবে।’ তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে সবার সহনশীল হওয়া উচিত।
দেশটাকে এগিয়ে নিতে সকলকে একত্রিত হতে হবে। সরকারি দলের ৬ মাসের মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধীদলের ৬ মাসের মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সৃষ্টি হওয়া উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন