প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
> বিশ্ব
> ভারত
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মাধ্যমে ইসলামপ্রিয় মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
কর্ণাটকের কারওয়ার জেলার আঙ্কোলা শহরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে একটি মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। কৃষ্ণাপুরের ভিঠালঘাটের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাজা আকবর আলী নামের একজন ব্যক্তি মিছিলে পতাকাটি নিয়ে এসে উড়ান। পুলিশ পতাকা উড়ানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ গিরিশ জানিয়েছেন যে আকবর আলীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ইসলামপুর জেলায় একটি মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ঈদ উদযাপনের সময় রাজ্যজুড়ে পুলিশ দুটি বিদেশি পতাকা জব্দ করেছে। পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে।
এছাড়া, ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের সময় উত্তর প্রদেশের বাদাউনে, মুসলমানদের মিছিল চলাকালে গান গাওয়া এবং অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। মিছিলের ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু মুসলিম পুরুষ ও একটি মুসলিম শিশু একটি চলন্ত গাড়ির উপরে বসে ছুরি নাড়াচ্ছে এবং গান গাচ্ছে। গানটির কথাগুলো হলো ‘বেগুনাহো পে সিতম ধানে ওয়ালে, তেরি হস্তি না মিতা দু তো ম্যায় মুসলমান নহি’ (যারা নিরীহদের উপর অত্যাচার করে, তাদের নির্মূল না করলে আমি প্রকৃত মুসলমান নই)।
ভারতের আইন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশের পতাকা প্রদর্শনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ধারা বা নিষেধাজ্ঞা নেই। নয়াদিল্লিতে ফিলিস্তিনের দূতাবাসও রয়েছে। তথাপি, ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোর ঘটনায় মুসলিমদের আটক করা এক অর্থে ইসলামবিদ্বেষেরই প্রতিফলন। ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন