প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের কাল্যাট জেলায় পাকিস্তান নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বিশেষ গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে (আইবিও) অন্তত ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাল্যাট জেলার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে সেখানে সুনির্দিষ্ট হামলা বা ‘সার্জিক্যাল অ্যাকশন’ পরিচালনা করে। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর দাবি, নিহত সন্ত্রাসীরা ভারতের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সাথে যুক্ত ছিল।
অভিযান শেষে উক্ত আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, অস্ত্র এবং আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) উদ্ধার করা হয় এবং সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলেই তা ধ্বংস করে দেয়। এলাকায় আরও কোনো সন্ত্রাসী লুকিয়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে আইএসপিআর পুরো এলাকায় তল্লাশি অভিযান জোরদার করার কথা জানিয়েছে।
এদিকে, একই সময়ে বালুচিস্তানের ভাগ (Bhagh) শহরে একটি থানায় বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা ব্যর্থ করে দিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল রকেট ও হ্যান্ড গ্রেনেড নিয়ে থানায়, ব্যাংকে এবং সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। এতে পুলিশ ও সাধারণ নাগরিকসহ অন্তত ৫ জন আহত হলেও হামলাকারীরা ব্যাংক থেকে কোনো অর্থ লুট বা থানায় দখল নিতে সক্ষম হয়নি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তান অঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (সিআরএসএস)-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সামগ্রিক সহিংসতার প্রায় ৯৬ শতাংশ ঘটনা ঘটেছে এই দুই অঞ্চলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন