প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রিকস সম্মেলনের প্রথম দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেননি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কেন তিনি ওই নৈশভোজে উপস্থিত হননি, সে বিষয়ে তার প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। তবে কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্মেলন ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বিশ্রামের জন্য তিনি হোটেলে ফিরে গেছেন।
গত শনিবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন শি জিনপিং। একই দিনে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করেন। চীনের প্রেসিডেন্ট দিনভর বিভিন্ন কূটনৈতিক কার্যক্রমে ব্যস্ত ছিলেন।
এনডিটিভির সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ বিমানযাত্রার পর সময়ের পার্থক্যের কারণে শি জিনপিং ক্লান্ত অনুভব করছিলেন। এ কারণেই তিনি মোদির আয়োজিত নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেননি। শি জিনপিং ছাড়া আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদও নৈশভোজে উপস্থিত হননি। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের অন্যান্য কয়েকজন নেতা এতে অংশগ্রহণ করেন। নৈশভোজে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও শিবরাজ সিং চৌহান উপস্থিত ছিলেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পাশাপাশি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও নৈশভোজে অংশ নেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা সংসদ ভবন থেকে দুটি বাসে করে মধ্য দিল্লির ভারত ম-পমে নৈশভোজের অনুষ্ঠানে যান।
দুই দিনের ব্রিকস সম্মেলন আজ শেষ হবে। এতে ১১টি সদস্য দেশের নেতা ছাড়াও ১০টি অংশীদার দেশের নেতা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে নরেন্দ্র মোদির সাতটি দেশের নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে শনিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন মোদি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই নেতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তারা বলেন, ‘পার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়।’ বৈঠকে মোদি উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত করা উচিত।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের আগস্টে তিয়ানজিনে তাদের সর্বশেষ বৈঠকের পর ভারত-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে অগ্রগতি হয়েছে, দুই নেতা তা স্বাগত জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন